সমষ্টি উন্নয়ন কর্মসূচি (Community Development Programme / CDP) গৃহীত হয় ১৯৫২ সালে।
১৯৫২ সালে গঠিত হয় ভারতের জাতীয় উন্নয়ন পরিষদ।
ভারতের প্রথম পরিবার পরিকল্পনা নীতি গৃহীত হয়েছিল ১৯৫২ সালে।
১৯৫৬ সালে কৃষি ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার কর্মসূচি হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ ভূমি সংস্কার আইন প্রবর্তিত হয়।
১৯৫৫ সালের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্রেডিট অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড (ICICI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রথম আর্থিক কমিশন গঠিত হয়েছিল যার সময়কাল ছিল ১৯৫২-৫৭।
১৯৫৩ সালে ভারতে প্রথম সম্পদ কর (Estate Duty) শুরু হয়।
দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৫৬-৬১)
পরিকল্পিত অর্থনৈতিক উন্নয়নের কৌশল হিসেবে মহলানবিশ মডেল গৃহীত হয়।
ঘোষিত হয় ভারতের দ্বিতীয় শিল্পনীতি।
দুর্গাপুর, রৌরকেল্লা, ভিলাই যথাক্রমে গ্রেট ব্রিটেন, জার্মানি ও সোভিয়েত রাশিয়ার সাহায্যে গড়ে ওঠে।
১৯৫৭ সালে অর্থনীতিবিদ ক্যালডারের সুপারিশে বাৎসরিক কর (Annual Tax) চালু হয়।
তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৬১-৬৬)
নিবিড় কৃষি এলাকা কর্মসূচি শুরু হয় ১৯৬৪-৬৫ সালে।
১৯৬৫ সালে F.C.I. গঠিত হয়।
১৯৬৪ সালে দেশে শিল্পোন্নয়নের উদ্দেশ্যে IDBI গড়ে ওঠে।
বার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৬৬-৬৯)
তৃতীয় পরিকল্পনা ব্যর্থ হবার কারণে অর্থনৈতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে অচলাবস্থা তৈরি হয়।
এই তিন বছর কোনো পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ছিল না, তাই একে পরিকল্পনা ছুটির সময় (Plan Holiday) বলে।
মুদ্রার অবমূল্যায়ন করা হয় ১৯৬৬ সালে।
চতুর্থ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৬৯-৭৪)
জাতীয় আয় ও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি।
আর্থিক স্থিতিশীলতা ও স্বয়ম্ভরতা অর্জন।
পিছিয়ে পড়া দুর্বল মানুষের উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়।
সবুজ বিপ্লবের ফলে পরিকল্পনার প্রথম দু'বছরে কৃষি উৎপাদন অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়।
মুদ্রাস্ফীতির হার অনেক বেশি ছিল (১৯৭২ সালে তেলের সংকট ও কম যোগান)।
গরিবি হটাও ডাক দেওয়া হয় (১৯৭১ সালে)।
মডেলঃ অশোক রুদ্র ও অ্যালান এস ম্যান্নি।
এই পরিকল্পনার দুটি মূল উদ্দেশ্য (Objective) হলোঃ Growth with stability এবং progressive achievement of self-reliance।
পঞ্চম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৭৪-৭৯)
১৯৭৫ সালে ২০ দফা কর্মসূচি শুরু হয়।
Food for Work Programme শুরু হয়।
স্বনিয়োজিত কর্মসংস্থানের জন্য গ্রামীণ যুবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কর্মসূচি শুরু হয় ১৯৭৯ সালে।
১৯৭৬ সালে এল. কে. ঝা-এর সভাপতিত্বে দেশের পরোক্ষ কর তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়।
বহতা পরিকল্পনা / রোলিং প্ল্যান (১৯৭৮-৮০)
জনতা সরকার প্রথম ভারতে বহতা পরিকল্পনা (Rolling Plan) চালু করে।
বহতা পরিকল্পনার আবিষ্কারক Gunnar Myrdal।
এই পরিকল্পনাকে জনতা সরকারের ষষ্ঠ পরিকল্পনা বলা হয়।
ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৮০-৮৫)
IRDP প্রকল্পের সূত্রপাত হয় ১৯৭৭-৭৮ সালে।
১৯৮০ সালে পূর্বতন 'খাদ্যের বিনিময়ে কাজ' কর্মসূচিকে পুনর্গঠন করে নাম দেওয়া হয় জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান কর্মসূচি (NREP)।
শিবরামন কমিটির সুপারিশে প্রতিষ্ঠিত হয় NABARD।
দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে EXIM Bank ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৮৫-৯০)
গ্রামাঞ্চলে বেকার সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে ১৯৮৯ সালে জওহর রোজগার যোজনা গৃহীত হয়।
শহরাঞ্চলে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে ১৯৮৯ সালে গৃহীত হয় নেহেরু রোজগার যোজনা।
প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি বিধানে অপারেশন ব্ল্যাকবোর্ড শুরু হয় ১৯৮৭-৮৮ সালে।
নিরক্ষরতা দূরীকরণের লক্ষ্যে জাতীয় সাক্ষরতা অভিযান শুরু হয় ১৯৮৮ সালে।
বার্ষিক পরিকল্পনা কাল (১৯৯০-৯১, ১৯৯১-৯২)
১৯৯১ সালের জুলাই মাসে ভারতের নয়া অর্থনৈতিক নীতি (New Economic Policy) ঘোষিত হয়।
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৯২-৯৭)
১৯৯৩ সালে শুরু হয় মহিলা সমৃদ্ধি যোজনা।
শহরাঞ্চলে বেকার সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে স্বর্ণজয়ন্তী শহুরে রোজগার যোজনা (SJSRY) প্রবর্তিত হয়।
১৯৯৫ সালে মিড ডে মিল প্রকল্প শুরু হয়।
নবম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)
১৯৯৯ সালে স্বর্ণজয়ন্তী গ্রাম স্বরোজগার যোজনা গৃহীত হয়।
ইন্দিরা আবাস যোজনা শুরু হয় ১৯৯৯-২০০০ সালে।
প্রধানমন্ত্রী গ্রামোদয় যোজনা চালু হয় ২০০০ সালে।
দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থানকারী জনসাধারণের জন্য চালু হয় অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা।
প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা চালু হয় ২০০০ সালে।
২০০১ সালে শুরু হয় সম্পূর্ণ গ্রামীণ রোজগার যোজনা।
সর্বশিক্ষা অভিযান শুরু হয় ২০০০ সালের নভেম্বর মাসে।
দশম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (২০০২-২০০৭)
National Food For Work Programme কর্মসূচি শুরু হয় ২০০৪ সালে।
গ্রামাঞ্চলে বেকার যুবকদের বছরে অন্তত ১০০ দিন কাজ দেওয়ার উদ্দেশ্যে ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গৃহীত হয় জাতীয় গ্রামীণ গ্রামীণ নিয়োগ নিশ্চয়তা কর্মসূচি (NREGS - পরবর্তীতে MGNREGA)।
একাদশ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (২০০৭-২০১২)
জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশন কর্মসূচি চালু হয়।
রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বীমা যোজনা চালু করা হয়।
মানবসম্পদের দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ন্যাশনাল পলিসি অন স্কিল ডেভেলপমেন্ট এবং প্রাইম মিনিস্টার ন্যাশনাল কাউন্সিল অন স্কিল ডেভেলপমেন্ট নামক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।
দ্বাদশ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (২০১২-১৭)
পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন।
গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়ন।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের উন্নয়ন।
জাতীয় আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা বার্ষিক ৮% রাখা হয়।
শিল্পে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বার্ষিক গড়ে ১০% রাখা হয়।
Please do not enter any spam link in the comment box